কুড়িগ্রামে যুবদল নেতা কামাল আহমেদ বিপুল হত্যার প্রতিবাদে জেলা বিএনপির ডাকা অর্ধদিবস হরতাল শান্তিপূর্নভাবে পালিত হয়েছে।হরতালের সময় বিএনপির পিকেটিং কিংবা কোন মিছিল চোখে পড়েনি।
দুপুরে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় এমপি মোঃ জাফর আলীর নেতৃত্বে একটি মিছিল শহর প্রদক্ষিন করে।
এদিকে কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাফর আলী নিহতের পরিবারকে এক লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন।
শহর জুড়ে ব্যাপক পুলিশি তৎপরতায় কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। হরতালে অধিকাংশ দোকান-পাট, ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। ব্যাংক বীমা সরকারী অফিস আদালত খোলা থাকলেও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে হরতালের কারনে অভ্যান্তরীন ও দুরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ে। তবে সীমিত সংখ্যক বাস চলাচল করে। ছিল পুলিশের কড়া নিরাপত্তা।
এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ জানান, শনিবার রাতে তাদের নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করার চেষ্টা করে। পুলিশ ও সরকারি দলের অগণতান্ত্রিক আচরণের কারণে তারা হরতালে মাঠে নামতে পারেননি। তার পরও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত হরতাল পালন করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে রোববার সরকারি দল আওয়ামী লীগ শহরে একটি হরতালবিরোধী মিছিল ও সমাবেশ করে। ঘোষপাড়ার দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য মোঃ জাফর আলী, অধ্যক্ষ রাশেদুজ্জামান বাবু, সালেহ আহমেদ মজনু, যুবলীগ নেতা হাজী দুলাল, আনিছুর রহমান টিপু প্রমুখ।
সমাবেশের পর সংসদ সদস্য মোঃ জাফর আলী নিহত বিপুলের বাড়িতে যান। তিনি নিহতের পরিবারকে তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১ লাখ টাকা অনুদান দেন।
উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির কর্মসূচী পালন শেষে সন্ত্রাসী হামলায় বিপুল নিহত হয়। যুবদল নেতা বিপুল হত্যার প্রতিবাদে জেলা বিএনপি অর্ধ দিবস হরতাল আহবান করে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন