প্রভাবশালীব্যক্তিরা। এর ফলে হাট বাজার সংকোচন হওয়ায় হাটবাজারের উদ্দেশ্যে আসা জনসাধারন ও যানবাহন প্রবেশে অসুবিধার সৃষ্টি হচ্ছে। আর এ কারনে সরকার বৎসরে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।
লিখিত অভিযোগে জানাগেছে কুড়িগ্রাম জেলার ঐতিহ্যবাহী ভুরুঙ্গামারী হাট ১৯৬৭-১৯৬৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ভুরুঙ্গামারী থানার সদর ইউনিয়নের কামাত আঙ্গারিয়া ও বাগভান্ডার মৌজায় এল,এ কেস নং ৩৯/১৯৬৭-৬৮ এবং দলিল নং ১৫৯৭২ খতিয়ান নং ২১১,২১২ ও ২১৩ দাগ নং ৪০৪১ মুলে ৫একর ৭০ শতাংশ জমি হুকুম দখল করে হাটবাজার স্থাপন করে তখন হতে নিয়মিত হাটবাজার পরিচালনা হয়ে আসছে।

কিন্তু ৪০৪১ নং দাগে হাটের পেরিফেরি ভুক্ত পুর্ব পার্শ্বে ভুরুঙ্গামারী-শিলখুড়ি গামী টি,সি রোড সংলগ্ন ৯৫শতাংশ জমি স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসাবে খ্যাত জনৈক কফিলুর রহমান ব্যাপারী গং ১৯৮৯-৯০ সালে প্রভাব খাটিয়ে জোর পুর্বক সরকারী জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে মাসে লক্ষাধিক টাকা ভাড়া আদায় করে আসছে। ফলে সরকার প্রতি বৎসর লক্ষ ল্ষ টাকা রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য হাটের জমি কাগজে কলমে ঠিক থাকলেও বাস্তবে কম ও অবৈধ স্থাপনা থাকায় হাটের ইজারাদারগন প্রতি বৎসরেই মামলা সাপেক্ষে হাটের ইজারার টাকা সরকারের নিকট হতে ফেরৎ নেয়ায় দেশের রাজস্ব আদায় থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিকট হতে হাটের জমি উদ্ধারের জন্য এলাকাবাসী কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক . হুকুম দখল কর্মকর্তা-কুড়িগ্রাম, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে জেলা কাননগো সমন্বয়ে একটি জরিপ টীম গঠন করে হাটের সীমানা নির্ধারণ ও অবৈধ দখলদার কফিলুর রহমান ব্যাপারীকে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার(ভুমি) ভুমিতে অবৈধ স্থাপনার সত্যতা ব্যাখ্যা দানের জন্য নোটিশ প্রদান করা সত্বেও তিনি আজও নোটিশের কোন জবাব দিতে পারেন নাই এবং প্রশাসনও রহস্যজনক কারনে অদ্যাবধি তার বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা না করায় এলাকাবাসী অনতি বিলম্বে হাটবাজারের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও ভুমি মন্ত্রী মহোদয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
লিখিত অভিযোগে জানাগেছে কুড়িগ্রাম জেলার ঐতিহ্যবাহী ভুরুঙ্গামারী হাট ১৯৬৭-১৯৬৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার ভুরুঙ্গামারী থানার সদর ইউনিয়নের কামাত আঙ্গারিয়া ও বাগভান্ডার মৌজায় এল,এ কেস নং ৩৯/১৯৬৭-৬৮ এবং দলিল নং ১৫৯৭২ খতিয়ান নং ২১১,২১২ ও ২১৩ দাগ নং ৪০৪১ মুলে ৫একর ৭০ শতাংশ জমি হুকুম দখল করে হাটবাজার স্থাপন করে তখন হতে নিয়মিত হাটবাজার পরিচালনা হয়ে আসছে।

কিন্তু ৪০৪১ নং দাগে হাটের পেরিফেরি ভুক্ত পুর্ব পার্শ্বে ভুরুঙ্গামারী-শিলখুড়ি গামী টি,সি রোড সংলগ্ন ৯৫শতাংশ জমি স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসাবে খ্যাত জনৈক কফিলুর রহমান ব্যাপারী গং ১৯৮৯-৯০ সালে প্রভাব খাটিয়ে জোর পুর্বক সরকারী জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে মাসে লক্ষাধিক টাকা ভাড়া আদায় করে আসছে। ফলে সরকার প্রতি বৎসর লক্ষ ল্ষ টাকা রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য হাটের জমি কাগজে কলমে ঠিক থাকলেও বাস্তবে কম ও অবৈধ স্থাপনা থাকায় হাটের ইজারাদারগন প্রতি বৎসরেই মামলা সাপেক্ষে হাটের ইজারার টাকা সরকারের নিকট হতে ফেরৎ নেয়ায় দেশের রাজস্ব আদায় থেকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নিকট হতে হাটের জমি উদ্ধারের জন্য এলাকাবাসী কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক . হুকুম দখল কর্মকর্তা-কুড়িগ্রাম, জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে জেলা কাননগো সমন্বয়ে একটি জরিপ টীম গঠন করে হাটের সীমানা নির্ধারণ ও অবৈধ দখলদার কফিলুর রহমান ব্যাপারীকে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার(ভুমি) ভুমিতে অবৈধ স্থাপনার সত্যতা ব্যাখ্যা দানের জন্য নোটিশ প্রদান করা সত্বেও তিনি আজও নোটিশের কোন জবাব দিতে পারেন নাই এবং প্রশাসনও রহস্যজনক কারনে অদ্যাবধি তার বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা না করায় এলাকাবাসী অনতি বিলম্বে হাটবাজারের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করতে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও ভুমি মন্ত্রী মহোদয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন