আর্থিক চরম দূরাবস্থা আর আধুনিক সুযোগ সুবিধা না থাকলেও মেধাকে দমিয়ে রাখান যায় না।চেষ্টা ও অধ্যাবসায় থাকলে কোন বাঁধা যে বাধাঁই নয় তার প্রমান করেছেন শাফিউল। দারিদ্রতার কাছে মাথানত করেনি শাফিউল।দরিদ্র দিন মজুরের সনত্মান শাফিউল। ভুরম্নঙ্গামারী ডিগ্রী কলেজ থেকে এইচ এসসি পরীড়্গায় বিজ্ঞান বিভাগে জি,পি,এ -৫ পেয়েছে সে। সাফিউলের পিতা মোবারক হোসেন একজন হত দরিদ্র দিন মজুর। অন্যের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে।মা সাজেদা অন্যের বাড়িতে গৃহস্থালী কাজে সহযোগিতা করতো।শাফিউল গত এস এস সি পরীড়্গায় ভুরম্নঙ্গামারী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গোল্ডেন জি,পি,এ-৫ পেয়েছিলো।বাবা মোবারক জানান, তার বই কিনে দিতে পারিনি। প্রতিবেশীর এক ছেলের পুরানো বই দিয়ে লেখাপড়া করেছ্ে।কিছুদিন এখানে কোচিং করেছিলো ওর মায়ের কাজের টাকা , হাসমুরগী ও ছাগল বিক্রির টাকা দিয়ে ফি দেয়া হতো। কলেজে বেতন দেয়া লাগতো না। কিনত্ম খাতা কলম কিনতে মানুষের কাছে হাত পাততে হতো।ঠিক মতো খাবার দিতে পারেনি।কখনও কখনও তরকারী না থাকলে না খেয়েই কলেজে যেত।মা সাজেদা বেগম জানায় , কোন দিন তার মনের মতো পোশাক ,জুতা ,সেন্ডেল কিনে দিতে পারিনি। অন্যের দেয়া পোশাক পরেই সে চলাফেরা করতো।শাফিউলরা ৪ ভাই। সে সবার বড়।ছোট ভাই এনামুল ৭ম শ্রেণীতে এবং নাবিদুল ব্র্যাক পরিচালিত প্রি- স্কুল পড়ে। শাফিউল জানায়, ছোট বেলা থেকে বাবার সাথে ড়্গেতে কাজ করেছি। যে বাড়িতে বাবা কাজ করতো সেই বাড়ীর ছেলে মেয়েদের দেখে আমারও ইচ্ছা জন্মেছে আমিও ডাক্তার হবো। সেই থেকে লেখাপড়ায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এখন কোচিং করার জন্য অনেক টাকার দরকার । এ টাকা পাব কোথায় সে চিনত্মায় রয়েছি। তারপরও শফিউল আশাবাদি সে একজন চিকিৎসক হবে এবং মানুষের সেবা করবে। এজন্য সে সকলের দোয়াও সহযোগিতা কামনা করেছেন। সে শিড়্গক ,বন্ধুবান্ধব এবং যারা সহযোগিতা করেছেন সকলের প্রতি সে কৃতজ্ঞ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন