মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০১১

চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়নপরিষদের কয়েক লাখ টাকার সরকারী গাছ অবৈধ ভাবে কেটে নিয়েছে কতিপয় দূর্বৃত্ত

চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় কয়েক লাখ টাকার সরকারী  গাছ অবৈধ ভাবে কেটে নিয়েছে কতিপয় দূর্বৃত্ত। তাদের বেআইনী কাজের লিখিত অভিযোগ দায়ের  করতে গিয়ে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন এলাকার জনগন।
এ ঘটনায় চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়নে চরম উত্তেজনা  সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় জনগন অবৈধ ভাবে সরকারী গাছ কেটে নেয়ার মদতদাতা হিসেবে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ এর সাথে জড়িত দের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম ডাক্তার নিয়ামত আলী আকন্দ গত ২০Ñ২৫ বছর আগে চর ভুরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে  অনেকগুলো কড়াই গাছ রোপন করেন। গাছগুলো প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষাসহ রাস্তার শোভা বৃদ্ধি করে আসছিল। আর্থিকভাবে  লাভবান হওয়ার আশায়  চর ভুরুঙ্গামারী উচ্চ বিদ্যালযের প্রধান  শিক্ষক সদরুল আলম বাবুর নেতৃত্বে কিছু লোক  গত মঙ্গলবার গাছগুলো অবৈধ ভাবে কাটা শুরু করে।  এ সময়  স্থানীয় জনগন তাতে বাধাঁ দেয়।  তিনি জনগণকে বোঝাবার চেষ্টা করেন,   গাছগুলোর মালিক স্কুল কতৃপক্ষ। তার কাছে গাছ কাটার বৈধ কাগজ পত্র আছে।  
এ সময় জনগন তা দেখতে চাইলে তিনি  কাগজ  পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। জনগন  বিক্ষুব্ধ হয়ে  বিষয় টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে অবহিত করলে নির্বাহী কর্মকর্তা  ঘটনার সত্যতা খুজে পায় এবং গাছগুলো জব্দ করে উপজেলা চত্বরে নিয়ে আসেন।
পরে  স্থানীয় জনগন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে উক্ত ঘটনার  লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে গেলে নির্বাহী কর্মকর্তা  তাদের উপর বিনা কারনে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। তাদের নানাভাবে লাঞ্চিত করেন । এমন কি গাছ কাটা মামলায় তাদের জড়ানোর হুমকী ধমকী দেন।
এ বিষয়ে চরভুরুঙ্গামারী ইউনিয়নের বাসিন্দা নেয়ামত আলীর পুত্র রোকনের সাথে কথা হলে তিনি জানান,  আমরা স্থানীয় জনগনের পক্ষে গাছ কাটার প্রতিবাদে গত বৃহস্পতিবার ইউএনও সাহেবের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে গেলে তিনি আমাদের মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখান এবং আমাদের অপমান ও  ভৎসনা করে তার রুম থেকে বের করে দেন।
এ বিষয়ে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা  নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ হামিদুল ইসলামের সাথে এই প্রতিবেদকের  কথা হলে তিনি জানান,  গাছ কাটার খবর পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। গাছ গুলো জব্দ করে উপজেলা চত্বরে আনা  হয়েছে। তবে সদরুল আলম একজন  শিক্ষক সেই বিবেচনায় তার বিরুদ্ধে মামলা  দায়ের করিনি।
স্থনীয় জনগনের অভিযোগের বিষয়টিকে  তিনি বলেন, ভিলেজ পলেটিক্স ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন