মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০১১

দুধকুমর নদীর ভাঙন ঠেকাতে নিম্নমানের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী

দুধকুমর নদীর ভাঙন ঠেকাতে নিম্নমানের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকাবাসী thumbnailদুধকুমর নদীর ভাঙন ঠেকাতে প্রায় ৮লাখ টাকা ব্যয়ে বালুর বস্তা ফেলা প্রকল্পে অনিয়ম করার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার কাজ বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
জানা গেছে, উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাটেশ্বরী সোনাহাট ব্রীজের সংযোগ সড়ক ভাঙনের মুখে রয়েছে। সড়ক ও ব্রীজ রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড লালমনির হাট থেকে ১৬০ মিটার বালু ভর্তি বস্তা (২৫ হাজার) ফেলার উদ্যোগ নেয়। নতুন সেনথেটিক বস্তায় ১৫০ কেজি বালু ভর্তি করার নিয়ম থাকলেও পুরাতন সিমেন্ট ও সারের বস্তায় ৫০ কেজি বালু ভর্তি করে ফেলানো হচ্ছে যা ফেলার সাথে সাথে ফেটে যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার হামিদুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন মন্ডল ও আওয়ামী লীগের উপজেলা সভাপতি শাহজাহান সিরাজ দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ সময় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় জনৈক আব্দুস সাত্তারের নির্দেশে বস্তা ফেলানো হচ্ছে বলে জানানো হয়। তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়েছেন বলে জানান।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিদর্শন শেষে নি¤œমানের বস্তা না ফেলার নির্দেশ দেন।
মোবাইলে এসও মহিবুল আলম জানান, কাজ নি¤œ মানের হওয়ায় আমি বস্তা ফেলা বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছি কিন্ত জোর করে বস্তা ফেলানো হচ্ছে। তিনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামও বলতে পারেননি। তবে রংপুরের মনজু ঠিকাদার এ কাজ করছে বলে জানান।
এ দিকে ২৫ হাজার  বালু ভর্তি বস্তা ফেলার কথা থাকলেও মাত্র ৫ হাজার বস্তা  ফেলা হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে।
ভাঙন রায় দ্রুত কাজ শেষ করা না গেলে ৭টি ইউনিয়ন এবং প্রস্তাবিত বঙ্গ সোনাহাট স্থলবন্দরের যোগাযোগের এক মাত্র রাস্তাটি যে কোন মুহূর্তে ভেঙে যেতে পারে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন