ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কেন্দ্রীয়
মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের চেয়ারম্যানের নিকট অভিযোগ প্রেরন করা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার কাটগীর গ্রামের মৃত ওমর আলীর পুত্র মোঃ শমসের আলী দালালদের টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযোদ্ধা সেজে ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের খামার পত্র নবীশ গ্রামের মৃত আমির আলীর পুত্র মোঃ শমসের আলীর ভারতীয় নম্বর ব্যবহার করে মুক্তিবার্তা ও বাংলাদেশ গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধার বিভিন্ন সরকারী সুযোগ ও মুক্তিযোদ্ধা সরকারী সুযোগ ভোগ করে যার নং ম-১৪২১১৭ তাং ২/১২/২০০৯ মুক্তিবার্তা নং ০৩১৬০৪০৩৫২ বাংলাদেশ গেজেট নং ১৩৪৯ তাং ২১/২/২০০৫ ।
বর্তমান সরকারের আমলে সঠিক মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কার্যক্রম চালু হওয়ায় ভারতের একই নম্বর দু ব্যক্তির ব্যবহার করার বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা কমান্ডের নিকট ধরা পড়লে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ভুয়া প্রমান হওয়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা শমসের আলীকে অবহিত করলে উক্ত শমসের আলী নিজে বাদী হয়ে গত ৯/৯/২০১১ ইং তারিখে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সীল ঢাকা, ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
একটি বিশ্বস্থ সুত্রে জানা গেছে একটি দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে অনেক ব্যক্তিকেই মুক্তিযোদ্ধার সনদ প্রদান করছে এবং সেই সনদে অনেকে দেশের গুরুত্বপুর্ন পদে চাকুরী করে আসছে।
জানা গেছে, উপজেলার কাটগীর গ্রামের মৃত ওমর আলীর পুত্র মোঃ শমসের আলী দালালদের টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযোদ্ধা সেজে ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের খামার পত্র নবীশ গ্রামের মৃত আমির আলীর পুত্র মোঃ শমসের আলীর ভারতীয় নম্বর ব্যবহার করে মুক্তিবার্তা ও বাংলাদেশ গেজেটে নাম অন্তর্ভুক্ত করে মুক্তিযোদ্ধার বিভিন্ন সরকারী সুযোগ ও মুক্তিযোদ্ধা সরকারী সুযোগ ভোগ করে যার নং ম-১৪২১১৭ তাং ২/১২/২০০৯ মুক্তিবার্তা নং ০৩১৬০৪০৩৫২ বাংলাদেশ গেজেট নং ১৩৪৯ তাং ২১/২/২০০৫ ।
বর্তমান সরকারের আমলে সঠিক মুক্তিযোদ্ধা বাছাই কার্যক্রম চালু হওয়ায় ভারতের একই নম্বর দু ব্যক্তির ব্যবহার করার বিষয়টি স্থানীয় উপজেলা কমান্ডের নিকট ধরা পড়লে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ভুয়া প্রমান হওয়ায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা শমসের আলীকে অবহিত করলে উক্ত শমসের আলী নিজে বাদী হয়ে গত ৯/৯/২০১১ ইং তারিখে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সীল ঢাকা, ভুরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
একটি বিশ্বস্থ সুত্রে জানা গেছে একটি দালাল চক্র টাকার বিনিময়ে অনেক ব্যক্তিকেই মুক্তিযোদ্ধার সনদ প্রদান করছে এবং সেই সনদে অনেকে দেশের গুরুত্বপুর্ন পদে চাকুরী করে আসছে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন